Dhaka ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংর্বশেষ সংবাদ:
রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আবু হানিফ খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ওমর ফারুক খান জুবায়ের রায়গঞ্জে কছিম উদ্দিন হত্যা: দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এল রহস্য, গ্রেপ্তার ২ রায়গঞ্জে সংখ্যালঘু গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্ত গরু ব্যবসায়ী রায়গঞ্জের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানালেন হাফিজুর রহমান রায়গঞ্জে ভিপি আয়নুল হক এমপি প্রমীলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন তাড়াশে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১ হাজার পিছ শাড়ি বিতরণ করলেন জহুরুল ইসলাম আকন্দ রায়গঞ্জে ৪০০ গ্যাস সিলিন্ডার লুট, বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৩ রায়গঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গল্পবলা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার রায়গঞ্জে উপজেলা জেন্ডার ইকুয়ালিটি ফোরাম (GEF)-এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের ত্রৈমাসিক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে’—অব্যাহতি চেয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আব্দুল লতিফের আকুতি

রায়গঞ্জে কছিম উদ্দিন হত্যা: দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এল রহস্য, গ্রেপ্তার ২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩৩ Time View

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ভ্যানচালক কছিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রায় দুই বছর পর রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের আপন ভাই আব্দুল মালেক (৪৫) ও কাকুলি (৪০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা হিসেবে প্রচার করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন গভীর রাতে আব্দুল মালেক তাঁর ভাড়া করা আরও দুই সহযোগীকে নিয়ে কছিম উদ্দিনকে নির্জন স্থানে নিয়ে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁরা ভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যান বলে পুলিশের ভাষ্য।

এ ছাড়া ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাকুলি নামে এক নারী কছিম উদ্দিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করেন বলে তদন্তে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা মামলাটির অগ্রগতি পর্যালোচনাকালে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রহস্য উদ্‌ঘাটনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরে তাঁদের নির্দেশনায় রায়গঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ জানায়, গত তিন মাসে ঘটনাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে নিবিড় গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সূত্র বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

এরই ধারাবাহিকতায় টানা দুই রাত অভিযান চালিয়ে প্রথমে নিমগাছী এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান চালিয়ে কাকুলি নামে অপর এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা কছিম উদ্দিন হত্যা মামলাটির রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তৎপরতা ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।#

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আবু হানিফ খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ওমর ফারুক খান জুবায়ের

রায়গঞ্জে কছিম উদ্দিন হত্যা: দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এল রহস্য, গ্রেপ্তার ২

Update Time : ০৩:৫৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ভ্যানচালক কছিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রায় দুই বছর পর রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের আপন ভাই আব্দুল মালেক (৪৫) ও কাকুলি (৪০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা হিসেবে প্রচার করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন গভীর রাতে আব্দুল মালেক তাঁর ভাড়া করা আরও দুই সহযোগীকে নিয়ে কছিম উদ্দিনকে নির্জন স্থানে নিয়ে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁরা ভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যান বলে পুলিশের ভাষ্য।

এ ছাড়া ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাকুলি নামে এক নারী কছিম উদ্দিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করেন বলে তদন্তে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা মামলাটির অগ্রগতি পর্যালোচনাকালে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রহস্য উদ্‌ঘাটনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরে তাঁদের নির্দেশনায় রায়গঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ জানায়, গত তিন মাসে ঘটনাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে নিবিড় গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সূত্র বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

এরই ধারাবাহিকতায় টানা দুই রাত অভিযান চালিয়ে প্রথমে নিমগাছী এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান চালিয়ে কাকুলি নামে অপর এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা কছিম উদ্দিন হত্যা মামলাটির রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তৎপরতা ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।#