Dhaka ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংর্বশেষ সংবাদ:
রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আবু হানিফ খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ওমর ফারুক খান জুবায়ের রায়গঞ্জে কছিম উদ্দিন হত্যা: দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এল রহস্য, গ্রেপ্তার ২ রায়গঞ্জে সংখ্যালঘু গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্ত গরু ব্যবসায়ী রায়গঞ্জের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানালেন হাফিজুর রহমান রায়গঞ্জে ভিপি আয়নুল হক এমপি প্রমীলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন তাড়াশে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ১ হাজার পিছ শাড়ি বিতরণ করলেন জহুরুল ইসলাম আকন্দ রায়গঞ্জে ৪০০ গ্যাস সিলিন্ডার লুট, বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৩ রায়গঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গল্পবলা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার রায়গঞ্জে উপজেলা জেন্ডার ইকুয়ালিটি ফোরাম (GEF)-এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের ত্রৈমাসিক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে’—অব্যাহতি চেয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আব্দুল লতিফের আকুতি

গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ১৫৩ Time View

সারা দেশে বইছে ঈদের আমেজ। চলছে ঈদের শেষ প্রস্তুতি। ঈদের দিনে অ্যাপায়নের অন্যতম অনুসঙ্গ মাংসের চাহিদা বেড়েছে বাজারে। বেড়েছে দামও। রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। আর সোনালী মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মাংসের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু কিছু দোকানে ৮০০ ও ৭৮০ টাকায়বিক্রি হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ ঈদ উপল‌ক্ষ্যে আগের তুলনায় মাংসের দাম বেড়েছে।

অপরদিকে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে, কে‌জি‌তে ১০ টাকা বে‌ড়েছে। এ ছাড়া, সোনালী মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। সপ্তাহ ব্যবধানে কে‌জিতে বে‌ড়ে‌ছে ২০ থে‌কে ৫০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, ঈদ উৎসবের সময় মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। এই বাড়তি চাহিদা পুঁজি করে মাংসের দাম দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে। সপ্তাহ ব্যবধানে বাজারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো মাংসের দাম বেড়েছে। ঈদকে সামনে রেখে সরকার যদি তদারকিতে কড়াকড়ি করতো তাহলে আগের দামেই মাংস কেনা যেত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষ্যে খামারিরা গরুর দাম বাড়িয়েছেন, তাতে মাংসের দাম বেশি পড়ছে। অনেকে বলছেন, বেচাকেনা বেশি পরিমাণে না হলে কেজিপ্রতি ৮০০ টাকায় মাংস বিক্রি করেও টিকে থাকা কষ্ট হবে। সেজন্য বে‌শিরভাগ মাংস বি‌ক্রেতা ৮৫০ টাকা কে‌জি বি‌ক্রি কর‌ছেন।

উত্তর মুগদা পাড়ার একটি বাজারে মাংস কিনতে আসা আব্দুর রউফ বলেন, ভেবেছিলাম ঈদের আগে তাজা মাংস নেব। কারণ, ফ্রিজে রেখে দিলে স্বাদ থাকে না। সেজন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম শেষ দিকে নেব। ঈদে বিভিন্ন খাবার তৈরিতে গরু ও মুরগি দুটো মাংসরই প্রয়োজন হয়। আর ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ কাজে লাগায়। গরুর মাংস নিলাম ৮৫০ করে। আর ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকা।

মুরগির দোকানে সঙ্গে কথা হয় সালেহা বেগমের। তিনি বলেন, গরিব মানুষতো আর গরুর মাংস কিনতে পারবে না, ব্রয়লার মুরগিই খাইতে হবে। সেই মুরগির দাম গেছে বেড়ে। ২ কেজি থেকে একটু বেশি হলো ৫০০ টাকা শেষ।

গরুর মাং‌স বে‌শি টাকায় বি‌ক্রির কারণ জান‌তে চাই‌লে মাংস বিক্রেতা কোরবান মিয়া ব‌লেন, কেজিপ্রতি গরুর মাংস ৮৫০ ক‌রে বিক্রি কর‌ছি। এই টাকায় বি‌ক্রি না কর‌লে লাভ থাক‌বে না। মাঝারি আকারের গরু জবাই দিয়ে ভালো মাংস বিক্রি করতে গেলে এর চেয়ে কম দামে বিক্রি সম্ভব না।

মা‌লিবাগ চৌধুরীপাড়ার খোর‌শেদ গোশত বিতা‌নের এক মাংস বি‌ক্রেতা জানান, বেশি দামে গরু কিনে কম দামে মাংস বিক্রি সম্ভব নয়। ফলে কিছুটা বেশি দামে মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে।

সপ্তাহখা‌নেক ধ‌রে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৩০ টাকায় বিক্রি হ‌চ্ছে। মূলত ঈদ‌কে কেন্দ্র ক‌রে কে‌জি‌তে ১০ টাকা বাড়‌তি  নিচ্ছেন বি‌ক্রেতারা। অন্যদি‌কে সোনালী মুর‌গির দাম এক লা‌ফে ২০ থে‌কে ৫০ টাকা বেড়েছে।

কারণ জান‌তে চাই‌লে মোহাম্মদ নয়ন ব‌লেন, ব্রয়লার কেজি‌তে মাত্র ১০ টাকা বাড়‌ছে। সোনালী মুর‌গির চা‌হিদা বে‌শি, দামও বে‌শি বাড়‌ছে। আমি বি‌ক্রি কর‌ছি ৪০০ টাকায়। কেউ কেউ আরও বে‌শি দা‌মে বি‌ক্রি কর‌ছে। খরচ বে‌শি প‌ড়ে, তাই বাড়‌তি দা‌মে‌ বি‌ক্রি কর‌তে হ‌চ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আবু হানিফ খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ওমর ফারুক খান জুবায়ের

গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০

Update Time : ০১:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

সারা দেশে বইছে ঈদের আমেজ। চলছে ঈদের শেষ প্রস্তুতি। ঈদের দিনে অ্যাপায়নের অন্যতম অনুসঙ্গ মাংসের চাহিদা বেড়েছে বাজারে। বেড়েছে দামও। রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। আর সোনালী মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মাংসের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু কিছু দোকানে ৮০০ ও ৭৮০ টাকায়বিক্রি হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ ঈদ উপল‌ক্ষ্যে আগের তুলনায় মাংসের দাম বেড়েছে।

অপরদিকে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে, কে‌জি‌তে ১০ টাকা বে‌ড়েছে। এ ছাড়া, সোনালী মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। সপ্তাহ ব্যবধানে কে‌জিতে বে‌ড়ে‌ছে ২০ থে‌কে ৫০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, ঈদ উৎসবের সময় মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। এই বাড়তি চাহিদা পুঁজি করে মাংসের দাম দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে। সপ্তাহ ব্যবধানে বাজারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো মাংসের দাম বেড়েছে। ঈদকে সামনে রেখে সরকার যদি তদারকিতে কড়াকড়ি করতো তাহলে আগের দামেই মাংস কেনা যেত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষ্যে খামারিরা গরুর দাম বাড়িয়েছেন, তাতে মাংসের দাম বেশি পড়ছে। অনেকে বলছেন, বেচাকেনা বেশি পরিমাণে না হলে কেজিপ্রতি ৮০০ টাকায় মাংস বিক্রি করেও টিকে থাকা কষ্ট হবে। সেজন্য বে‌শিরভাগ মাংস বি‌ক্রেতা ৮৫০ টাকা কে‌জি বি‌ক্রি কর‌ছেন।

উত্তর মুগদা পাড়ার একটি বাজারে মাংস কিনতে আসা আব্দুর রউফ বলেন, ভেবেছিলাম ঈদের আগে তাজা মাংস নেব। কারণ, ফ্রিজে রেখে দিলে স্বাদ থাকে না। সেজন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম শেষ দিকে নেব। ঈদে বিভিন্ন খাবার তৈরিতে গরু ও মুরগি দুটো মাংসরই প্রয়োজন হয়। আর ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ কাজে লাগায়। গরুর মাংস নিলাম ৮৫০ করে। আর ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকা।

মুরগির দোকানে সঙ্গে কথা হয় সালেহা বেগমের। তিনি বলেন, গরিব মানুষতো আর গরুর মাংস কিনতে পারবে না, ব্রয়লার মুরগিই খাইতে হবে। সেই মুরগির দাম গেছে বেড়ে। ২ কেজি থেকে একটু বেশি হলো ৫০০ টাকা শেষ।

গরুর মাং‌স বে‌শি টাকায় বি‌ক্রির কারণ জান‌তে চাই‌লে মাংস বিক্রেতা কোরবান মিয়া ব‌লেন, কেজিপ্রতি গরুর মাংস ৮৫০ ক‌রে বিক্রি কর‌ছি। এই টাকায় বি‌ক্রি না কর‌লে লাভ থাক‌বে না। মাঝারি আকারের গরু জবাই দিয়ে ভালো মাংস বিক্রি করতে গেলে এর চেয়ে কম দামে বিক্রি সম্ভব না।

মা‌লিবাগ চৌধুরীপাড়ার খোর‌শেদ গোশত বিতা‌নের এক মাংস বি‌ক্রেতা জানান, বেশি দামে গরু কিনে কম দামে মাংস বিক্রি সম্ভব নয়। ফলে কিছুটা বেশি দামে মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে।

সপ্তাহখা‌নেক ধ‌রে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৩০ টাকায় বিক্রি হ‌চ্ছে। মূলত ঈদ‌কে কেন্দ্র ক‌রে কে‌জি‌তে ১০ টাকা বাড়‌তি  নিচ্ছেন বি‌ক্রেতারা। অন্যদি‌কে সোনালী মুর‌গির দাম এক লা‌ফে ২০ থে‌কে ৫০ টাকা বেড়েছে।

কারণ জান‌তে চাই‌লে মোহাম্মদ নয়ন ব‌লেন, ব্রয়লার কেজি‌তে মাত্র ১০ টাকা বাড়‌ছে। সোনালী মুর‌গির চা‌হিদা বে‌শি, দামও বে‌শি বাড়‌ছে। আমি বি‌ক্রি কর‌ছি ৪০০ টাকায়। কেউ কেউ আরও বে‌শি দা‌মে বি‌ক্রি কর‌ছে। খরচ বে‌শি প‌ড়ে, তাই বাড়‌তি দা‌মে‌ বি‌ক্রি কর‌তে হ‌চ্ছে।