
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এখানে ৩৫০টি কার্ডের বিপরীতে চাল বিতরণের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যরা।
জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমাজের হতদরিদ্র ও অসহায় নারী-পুরুষদের জন্য ধুবিল ইউনিয়নে ২ হাজার ৫৪০টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে ২৫ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার ওই চাল বিতরণের কথা থাকলেও ১২ জন ইউপি সদস্যের মাধ্যমে ২ হাজার ১৯০টি কার্ডের বিপরীতে চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে বাকি ৩৫০টি কার্ডের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, এসব ৩৫০টি কার্ড প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অধীনে ছিল, কিন্তু সেগুলোর বিপরীতে চাল বিতরণ করা হয়নি। এতে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি চালের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইউপি সদস্যরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই চাল কাদের বরাদ্দ হয়েছে বা আদৌ বিতরণ করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
১, ৫ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা জানান, তাদের মাধ্যমে বিতরণকৃত কার্ডের বিপরীতে ১০ কেজি করে চাল সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে ৩৫০টি কার্ডের চালের বিষয়ে প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন সরকার বলেন, চাল বিতরণে কোনো অনিয়ম হয়নি। তালিকা প্রণয়ন করেছেন সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মনোনীত ব্যক্তি এবং ইউপি সদস্যরা। আইনগতভাবে তালিকা প্রণয়নের কোনো এখতিয়ার তার নেই বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে রায়গঞ্জ উপজেলার আইসিটি কর্মকর্তা ও ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহায়মেনুর রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবছর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়।
Reporter Name 

















