
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ভুইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ দোকানপাট।
বিশেষ করে ওভারব্রিজের নিচে ও আশপাশের এলাকা দখল হয়ে যাওয়ায় সড়কের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওভারব্রিজের নিচে গড়ে ওঠা এসব দোকান থেকে উৎপন্ন ময়লা-আবর্জনা নিয়মিত সড়কেই ফেলা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে একই এলাকায় মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কজুড়ে অবৈধভাবে স্ট্যান্ড গড়ে তুলেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত যানবাহন। এসব যানবাহন মহাসড়কের ওপরেই যাত্রী ওঠানামা করায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। স্থানীয়দের মতে, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এতে দিন দিন সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করছে। তারা দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে পরিবেশ আন্দোলন বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জের আহ্বায়ক দীপক কুমার কর বলেন,“সড়ক ও সরকারি জায়গা দখল করে দোকানপাট গড়ে ওঠা এবং বর্জ্য সড়কে ফেলার কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান ও নিয়মিত মনিটরিং না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন,“মহাসড়ক ও সড়কে অবৈধ স্ট্যান্ড এবং যানবাহনের শৃঙ্খলাহীন চলাচলের বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করে যানজট ও ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, “সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালানো হবে।”
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে এলাকায় সড়ক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক হবে এবং জনদুর্ভোগ কমবে।
Reporter Name 

















