
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর রাতে উপজেলার ঘুরকা গ্রামে তাঁর নিজ বাসভবনে এক ব্যক্তির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান কয়েকজন প্রতিবেশী। পরবর্তী সময়ে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শুনানি গ্রহণ করে এবং সাক্ষ্য–প্রমাণ যাচাই–বাছাই শেষে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করা হয়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত আদেশে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাঁকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, জারির তারিখ থেকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করতে হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার পরিবেশ ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ সময়োপযোগী বলে তাঁরা মনে করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
Reporter Name 


















