Dhaka ০৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংর্বশেষ সংবাদ:
রায়গঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মাথাসহ বুক পিষ্ট, ঘটনাস্থলেই এক ব্যক্তির মৃত্যু রায়গঞ্জে পুলিশ নারী হেল্পডেস্ক ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা রায়গঞ্জে এইচ.জি.বি.এল উচ্চ বিদ্যালয়ের নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ রায়গঞ্জে মানবিক সহায়তা পেলেন ৩৮৫ দরিদ্র-অসহায় মানুষ রায়গঞ্জের নিমগাছীতে ট্রাকচাপায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, চালক পলাতক রায়গঞ্জে দেড়াগাঁতী রুদ্রপুর উচ্চবিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ নলকার উন্নয়নে নতুন প্রত্যয়, চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান এস এম রেজাউল করিম ৩০ শতাংশ না দিলে প্রকল্প নয়’—ঘুড়কা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রায়গঞ্জে কুটির শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন রায়গঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে মো. ইলিয়াস নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন

ভুলে ভরা বাংলাদেশকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই গোল হয়ে উদ্‌যাপন করতে শুরু করলেন ভারতের ফুটবলাররা। প্রতিশোধ নিয়ে শেষ পর্যন্ত জিতল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। ফাইনালের স্কোরলাইন যতটা না হতাশার, ততটাই অবাক হওয়ার মতো।
বাংলাদেশ হেরেছে ৪-০ গোলে। অথচ রাউন্ড রবিন লিগে এই ভারতকেই ২-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ফাইনালের আগেও কোচ পিটার বাটলার দিয়ে রেখেছিলেন হুংকার। অথচ মাঠে জবাবই দিতে পারলেন না তাঁর শিষ্যরা। উল্টো মাশুল দিতে হয়েছে একের পর এক ভুলের।
পোখারার রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে আজ খেলার শুরু থেকে আক্রমণাত্মক থাকে ভারত। দ্বিতীয় মিনিটে ভারতের ফরোয়ার্ড বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই বাংলাদেশ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে তা ক্লিয়ার করেন। ১৬ মিনিটে বক্সের বাইরে আলভা দেবীকে সুরভী আক্তার আফরিন ফাউল করলে রেফারি ফ্রি কিকের নির্দেশ দেন। আভিস্তা বাসনেতের নেওয়া ফ্রি-কিকটি সরাসরি গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমা পড়ে।
বিরতির আগে ৪২ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ভারত। বাঁ প্রান্ত থেকে আসা ক্রস ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা। ডান প্রান্তে ফাঁকায় থাকা প্রীতিকা বর্মন নিয়ন্ত্রণে নিয়েও নিজে শট না নিয়ে পাস দেন অধিনায়ক ঝুলন নংমাইথামকে। দলকে এগিয়ে দিতে কোনো ভুল করেননি অধিনায়ক।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ৬১ মিনিটে পেনাল্টি হজম করে বসে। একটি লং বল ক্লিয়ার করার ক্ষেত্রে ইয়ারজান সময়মতো বল গ্লাভসবন্দী করতে ব্যর্থ হন। ভারতের আলভা দেবী বলের দখল নিতে গেলে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেন ইয়ারজান। এর ফলে সহজে ব্যবধান ২-০ করে।
৬৮ মিনিটে ইয়ারজানের আরেকটি ভুলের মাশুল দিতে হয় বাংলাদেশকে । প্রতীমার ব্যাক পাস থেকে পাওয়া বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ইয়ারজান সামনে থাকা ভারতীয় স্ট্রাইকার পার্ল ফার্নান্দেজের কাছেই শট মারেন। বলটি ফার্নান্দেজের নিয়ন্ত্রণে এলে, তিনি আলতো টোকায় জালে পাঠান।
শেষ দিকে আরও একটি গোল করে আনন্দের ষোলোকলা পূর্ণ করে ভারত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রায়গঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মাথাসহ বুক পিষ্ট, ঘটনাস্থলেই এক ব্যক্তির মৃত্যু

ভুলে ভরা বাংলাদেশকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

Update Time : ০৭:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই গোল হয়ে উদ্‌যাপন করতে শুরু করলেন ভারতের ফুটবলাররা। প্রতিশোধ নিয়ে শেষ পর্যন্ত জিতল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। ফাইনালের স্কোরলাইন যতটা না হতাশার, ততটাই অবাক হওয়ার মতো।
বাংলাদেশ হেরেছে ৪-০ গোলে। অথচ রাউন্ড রবিন লিগে এই ভারতকেই ২-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ফাইনালের আগেও কোচ পিটার বাটলার দিয়ে রেখেছিলেন হুংকার। অথচ মাঠে জবাবই দিতে পারলেন না তাঁর শিষ্যরা। উল্টো মাশুল দিতে হয়েছে একের পর এক ভুলের।
পোখারার রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে আজ খেলার শুরু থেকে আক্রমণাত্মক থাকে ভারত। দ্বিতীয় মিনিটে ভারতের ফরোয়ার্ড বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগেই বাংলাদেশ গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে তা ক্লিয়ার করেন। ১৬ মিনিটে বক্সের বাইরে আলভা দেবীকে সুরভী আক্তার আফরিন ফাউল করলে রেফারি ফ্রি কিকের নির্দেশ দেন। আভিস্তা বাসনেতের নেওয়া ফ্রি-কিকটি সরাসরি গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমা পড়ে।
বিরতির আগে ৪২ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ভারত। বাঁ প্রান্ত থেকে আসা ক্রস ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা। ডান প্রান্তে ফাঁকায় থাকা প্রীতিকা বর্মন নিয়ন্ত্রণে নিয়েও নিজে শট না নিয়ে পাস দেন অধিনায়ক ঝুলন নংমাইথামকে। দলকে এগিয়ে দিতে কোনো ভুল করেননি অধিনায়ক।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ৬১ মিনিটে পেনাল্টি হজম করে বসে। একটি লং বল ক্লিয়ার করার ক্ষেত্রে ইয়ারজান সময়মতো বল গ্লাভসবন্দী করতে ব্যর্থ হন। ভারতের আলভা দেবী বলের দখল নিতে গেলে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেন ইয়ারজান। এর ফলে সহজে ব্যবধান ২-০ করে।
৬৮ মিনিটে ইয়ারজানের আরেকটি ভুলের মাশুল দিতে হয় বাংলাদেশকে । প্রতীমার ব্যাক পাস থেকে পাওয়া বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ইয়ারজান সামনে থাকা ভারতীয় স্ট্রাইকার পার্ল ফার্নান্দেজের কাছেই শট মারেন। বলটি ফার্নান্দেজের নিয়ন্ত্রণে এলে, তিনি আলতো টোকায় জালে পাঠান।
শেষ দিকে আরও একটি গোল করে আনন্দের ষোলোকলা পূর্ণ করে ভারত।