
জনতার ভোর ডেস্ক:
আজ পহেলা ফাল্গুন, ঋতুরাজ বসন্তের আগমন। একই দিনে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দুই দিবসকে ঘিরে রায়গঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দের আমেজ।
প্রিয়জনকে ভালোবাসা জানাতে সকাল থেকেই ফুলের দোকানে ভিড় জমাতে দেখা গেছে তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে।
বিশেষ এই দুটি দিবস উপলক্ষে উপজেলার একমাত্র স্থায়ী ফুলের দোকানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দোকানটিতে গোলাপসহ নানা ধরনের ফুলের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ী মানিক হাসান। সকাল থেকেই তার দোকানে ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।
ফুলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সব ধরনের ফুলের দাম কয়েকগুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা। তার দাবি, পাইকারি বাজারে ফুলের দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত বরণকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে গোলাপের। অন্য সময় প্রতি পিস গোলাপ ২০-২৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রজনীগন্ধা ২০ টাকা, সূর্যমুখী ৪০ টাকা এবং গাঁদাফুলের মালা ৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফুলের তৈরি মাথার বেল্ট বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।
দাম বাড়লেও প্রিয়জনকে ফুল উপহার দিতে ক্রেতাদের মধ্যে তেমন কোনো অসন্তোষ দেখা যায়নি। বিভিন্ন ধরনের ফুলের তোড়া ও গোলাপ কিনে হাসিমুখে প্রিয় মানুষের কাছে ছুটে যেতে দেখা গেছে অনেককেই।
পারভেজ সরকার নামে এক অবিবাহিত ক্রেতা বলেন, “ভালোবাসার আলাদা কোনো দিন না থাকলেও এই বিশেষ দিনে প্রিয় মানুষকে একটু বিশেষভাবে অনুভব করাতে চাই। তাই শখ করে ৬০ টাকা দিয়ে একটি ফুলের স্টিক কিনেছি তাকে উপহার দেওয়ার জন্য।”
আরেক ক্রেতা শাকিল আহমেদ বলেন, “পহেলা ফাল্গুন আর ভালোবাসা দিবস একসঙ্গে হওয়ায় দিনটি আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে। প্রিয়জনকে খুশি করতে একটি গোলাপই যথেষ্ট। তাই সকালেই এসে ফুল কিনে নিয়েছি।”
রায়গঞ্জ পৌর সভার ধানগড়া গোল চত্বর বাসস্ট্যান্ড রোডে পুষ্প ফুল বিতানের মালিক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান মানিক জানান, দিনের বেলায় প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি শুরু না হলেও সন্ধ্যার পর থেকে ফুল বিক্রি বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জনতার ভোর 


















